মেডিক্যাল কলেজে অনশন চলছেই

মেডিক্যাল কলেজে অনশন চলছেই

Advertisemen
মেডিক্যাল কলেজে অনশন চলছেই

            


সত্যিই আমাদের সোনার বাংলা তা না হলে হোস্টেলের দাবিতে মেডিক্যাল ছাত্রদেরকে অনশনে নামতে হয়!! ওরা বড় অন্যায় করে ফেলেছে মনে হয়। কেউ কেউ পাপও বলতে পারেন। এত কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, প্রতিমাসে কয়েক লাখ চাকরি, চপের ইন্ডাস্ট্রি , পাহাড়ের হাসি, নদীর গান এর পরেও এরা হোস্টেল চায় কোন মুখে বলুন তো!

উন্নয়নের ওড়নার নিচে ঘুম ধরে না বুঝি। অবুঝ সব পাগল ছেলে, ওরে কেউ কি তোদের বলে দেয়নি তোরা কোথায় দাঁড়িয়ে অধিকার চাইছিস? এখানে হাসি কান্না সুখ শান্তি সব কিনতে হয় আজ। ভাল থাকতে চাওয়াটা বড় ভাল কথা নয়।

.........
একবার ভাবুন এই ছেলেগুলোই আপনাকে কিংবা আপনার পরিবারের কাউকে প্রতিদিন সুস্থ করার জন্য লড়বে। এরা দিনরাত আপনার জন্য ছুটবে, জানি ভাবছেন টাকার জন্য ছুটবে। টাকই যদি হয় তাহলে রুগীদেরকে টাকার সর্বত খাউয়ি দিলেই তো হত। এই ছেলেগুলোই লড়বে আপনার পরিবারের হাসির জন্য, খুশির জন্য। আজ এদের এদের পাশে একটু দাঁড়াবেন না, আরে নাই বা দাঁড়ালেন শুধু বুকে হাত রেখে মনে মনে একবার অন্তত ফিসফিস করে বলুন, 'আমি পাশে আছি।'
সরকার মেডিক্যাল সায়েন্সটাকেও পলিটিক্যাল সায়েন্স বানিয়ে দিয়েছে আজ। এত হাজার হাজার বেকার, হতাশ মা-বাবার স্বপ্ন হারিয়ে ফেলা মুখ দেখেও আপনি চুপছিলেন, আপনি আজও চুপ আছেন, আর কতদিন আপনি চুপ থাকবেন তা আপনিই জানেন। ওরা জাগছে, ওরা অনশন করছে না ওরা আবার বিপ্লব আনার ঔষধ খুঁজছে। ওরা আবার বিপ্লব আনবে বাংলায়। আপনি নীরব সাক্ষী হয়ে রইবেন শুধু।

খবরের সারাংশ

মেডিকেল কলেজে গত দু'‌বছর ধরে হস্টেলের জন্য কাউন্সেলিং বন্ধ ছিল৷ এই দু' বছরে ভর্তি হওয়া অনেক ছাত্র এবং তাঁদেরও সিনিয়র বহু ছাত্র হস্টেলে জায়গা পাননি৷ কিন্তু অবশেষে যখন ১১ তলা একটি নতুন হস্টেল তৈরি হলো, মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ সেখানে একমাত্র প্রথম বছরের, অর্থাৎ সদ্য ভর্তি হওয়া ডাক্তারি পড়ুয়াদেরই জায়গা দিলো৷ এতেই আপত্তি জানান সিনিয়র ছাত্র-ছাত্রীরা৷ তাঁরা প্রথমত দাবি করেন, ওই নতুন হস্টেলে তাঁদেরও থাকার জায়গা দিতে হবে৷ এবং বলেন, ছাত্রদের সিনিয়রিটি, এবং কে কত দূর থেকে কলকাতায় পড়তে এসেছেন, তার ভিত্তিতে হস্টেলে অগ্রাধিকার দিতে হবে৷ কিন্তু সিনিয়র ছাত্রদের এই দাবি মানেনি মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ৷ কারণ, হিসেবে তারা র‌্যাগিং প্রতিরোধে সর্বভারতীয় বিধির কথা বলছে, যেখানে প্রথম বছরের নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের কলেজের সিনিয়রদের থেকে দূরে রাখার ব্যবস্থা আবশ্যিক করা হয়েছে৷ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ উচ্ছল ভদ্রকে নাকি এমন কথাও বলতে শোনা গিয়েছে যে, তিনি যে কোনো মূল্যে সিনিয়র ছাত্র-ছাত্রীদের সংস্পর্শ থেকে নতুনদের দূরে রাখবেন৷ সরকার চুপচাপ উন্নয়নে মগ্ন, তাই অনশন চলছেই।


Advertisemen

Disclaimer: Gambar, artikel ataupun video yang ada di web ini terkadang berasal dari berbagai sumber media lain. Hak Cipta sepenuhnya dipegang oleh sumber tersebut. Jika ada masalah terkait hal ini, Anda dapat menghubungi kami disini.
Related Posts
Disqus Comments